
George Orwell (1903-1950)
জর্জ অরওয়েল/এরিক আর্থার ব্লেয়ার (Eric Arthur Blair)
- George Orwell ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক।
- তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন Police Officer
- তিনি Lower Burma তে কর্মরত ছিলেন।
- তার বিখ্যাত একটি উপন্যাস হলো- Animal Farm.
- তার বিখ্যাত একটি Essay হলো Shooting an Elephant
উল্লেখযোগ্য- উপন্যাস :
- Homage to Catalonia
- Animal Farm (Allegorical Novel)-1945.এটি সোভিয়েত বিরোধী রূপকাশ্রয়ী উপন্যাস।
- Nineteen Eighty-Four (novel) (1949).
- A Clergyman Daughter
- Burmese Days
- Coming UP for Airs
উল্লেখযোগ্য- ছোটগল্প:
- Shooting an Elephant (Prose)
- A Hanging
George Orwell এর Animal Farm (Allegorical Novel )ও Shooting an Elephant মনে রাখার কৌশল:
George থেকে Geography মনে রাখা যায়। তারপর Geography Channel এ Animal ও Elephant নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মনে রাখার কৌশল :
Burma এর Clergyman -Orwell-1949 এ Animal farm এর মধ্যে একটি Elephant কে Shoot করল।
Clergyman = A Clergyman Daughter
1949 = Nineteen Eighty-Four (novel) -1949.
Animal farm = Animal Farm (Allegorical Novel)-1945.
Elephant কে Shoot = Shooting an Elephant (Prose)
George Orwell এর বিখ্যাত গ্রন্থ Animal Farm এর সার-সংক্ষেপ
Manor Farm এর বয়স্ক শুকর Old Major ফার্মের সকল পশুকে ডেকে মিটিং করে যেখানে সে মানুষকে পরাশ্রয়ী হিসেবে উল্লেখ করে তাদেরকে এক বিপ্লবী সংগীত 'Beasts of England' শিক্ষা দেয়। বয়স্ক Major মরে গেলে দুই তরুণ শুকর ছানা Snowball ও Napoleon বিপ্লবের জন্য অন্যদেরকে প্রস্তুত করার দায়িত্ব নেয়। তারা বিদ্রোহ ঘোষণা করে মাতাল ও অবিচেক চাষী Mr. Jones কে তাড়িয়ে দেয়। তারা ৭টি মূলনীতি মেনে চলে যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো 'সকল পশুই সমান'। ফার্মে Windmill স্থাপন করা নিয়ে কলহ বাঁধলেও Windmill বসানো হলে তাদের আয় বেড়ে যায়। পরে তারা ফার্মটিকে আগের নাম অর্থাৎ 'Major Farm' বহাল করে। কেননা তারা মনে করে মানুষ ও তাদের মাঝে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।
ঔপন্যাসিক জর্জ অরওয়েল এর বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক অ্যানিমাল ফার্ম উপন্যাসটি রচিত হয় রাশিয়ার বিপ্লব পরবর্তী সমাজ ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে। উপন্যাসে দেখানো হয়েছে কীভাবে একটা পশু খামারের মালিককে তাড়িয়ে নিজেরাই খামার দখল করে নেয়। খামার দখল করে নেয়ার পর সেখানে পশুদের রাজত্ব স্থাপিত হয়। খামারের মূলনীতিতে পশুরা উল্লেখ করে, দু-পেয়েরা শত্রু এবং চার-পেয়েরা বন্ধু। পশুরা নেপোলিয়ন ও স্নোবল নামক দুটি শুকরের নেতৃত্বে খামার পরিচালনা করতে থাকে। এ ঘটনা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত এবং অন্যান্য খামারের পশুরাও বিদ্রোহ করতে শুরু করে। এতে খামার মালিকরা শঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং খামার মালিকদের সাথে পশুদের কয়েক দফা যুদ্ধও সংঘটিত হয়। 'সকল পশু সমান' একথা প্রচার করার পরে দেখা যায় খামারে নেপোলিয়নের নেতৃত্বে শুকরদের প্রাধান্য বেড়ে যায়। তারা কোনো কাজ না করে খায় দায়, ঘুমায় আর পরিকল্পনা করে। শেষ পর্যন্ত পশুদের নেতা নেপোলিয়ন সভ্য জগতের মানুষের সাথে সখ্যতা স্থাপন করে, ফলে পশু খামারে একনায়কতন্ত্র স্থাপিত হয়। পশুরা অসহায়ের মত শুধু সে সব প্রত্যয় করে আর উদয়ান্ত খাটে। নানা ঘাত প্রতিঘাত ও দ্বন্দ্ব সংঘাতের সাথে এ গ্রন্থে হাস্যরস ও নাটকীয়তার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।
শুটিং অ্যান এলিফ্যান্ট
সারাংশ:
বার্মায় পুলিশ কর্মকর্তা থাকাকালে অরওয়েল এক অসহনীয় অবস্থায় পড়েছিলেন। প্রজনন ঋতুতে হাতিরা উম্মাদ হয়ে যায়, তেমনি একটা হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে একটা দ্রাবিড় কুলিকে পা মাড়িয়ে মেরেছিল এবং কিছু ঘরবাড়ি ও ফসলের মাঠ নষ্ট করে দিয়েছিল। মহকুমা পুলিশ অফিসার হিসেবে হাতিটিকে রুখবার দায়িত্ব অরওয়েলের উপর আসে। অরওয়েল যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান তখন হাতিটির প্রজনন 'তাপ' শেষ। হাজার হাজার বার্মিজ জনতা তখন হাতিটিকে দেখার জন্য উৎসুক। তাদের ইচ্ছা হাতিটিকে গুলি করা হোক। এমনিতেই বার্মিজদের শ্বেতাঙ্গদের প্রতি ব্যঙ্গ বিদ্রুপ ছিল অসহ্য অবমাননাকর। বার্মিজরা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী, শ্বেতাঙ্গ শাসন বিরোধী কোনো আন্দোলন বা বিদ্রোহ সংগঠনে যোগ্য ছিল না মোটেও কিন্তু শ্বেতাঙ্গদের ইতর ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করায় ছিল পটু। কোনো শ্বেতাঙ্গ মহিলা একাকী পথ চলার সময় তার স্কার্টে পানের পিক ফেলার মতো নোংরা কাজ করে প্রবল হাসিতে ফেটে পড়ার মতো নীচতায় দক্ষ। অরওয়েল অত্যন্ত বিরক্ত বোধ করতেন, একেক সময় সাম্রাজ্যবাদের অধীনে চাকরি ছেড়ে দেবার কথাও ভাবতেন অন্যান্য শ্বেতাঙ্গ শাসকদের মতো।
ঘটনাস্থলে শান্ত নিরীহ অবস্থায় ঘাস খেতে দেখে অরওয়েল ভাবলেন এ বিরাট মূল্যবান প্রাণীটিকে হত্যা করা নিরর্থক। কিন্তু জনতার ইচ্ছার চাপের সামনে, শ্বেতাঙ্গদের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে অরওয়েল শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে গুলি করতে বাধ্য হন। নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে, হলদে মুখো বার্মিজেদের ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করে অরওয়েল অস্থির বোধ করছিলেন। মাংসের লোভে ভিড় জমান বার্মিজরা। হাতিটিকে গুলি করার জন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করছিল। এমন একটা অবস্থা থেকে অরওয়েল বেরিয়ে আসতেও পারছিলেন না পাছে বার্মিজরা তাকে বিদ্রুপ করে, ভীরু ভেবে প্রবল হাসিতে ফেটে পড়ে।
অবশেষে অরওয়েল নিরীহ, শান্ত হাতিটিকে বাধ্য হয়েই গুলি করেন হাতিটির কান লক্ষ্য করে কিন্তু হাতিটির মৃত্যু দৃশ্য ছিল অসহনীয়, করুণ। ধীরে, অতি ধীরে হাতিটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, প্রচণ্ড জোরে নিঃশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে। অরওয়েল দৃশ্যটি কিছুতেই সহ্য করতে পারছিলেন না। করুণ সে দৃশ্যটি তার ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। তিনি দ্রুত সে স্থান ত্যাগ করেন। তিনি সে স্থান ত্যাগ করতে না করতেই, বার্মিজরা দা, ঝুড়ি নিয়ে হাতির মাংসের লোভে মৃত প্রায় হাতিটির উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল।
সার্বিক ঘটনাটি অরওয়েলের খুব মর্মপীড়ার কারণ ঘটায়। বর্বর বার্মিজদের ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণের বেদনা অরওয়েলকে ভীষণভাবে বিচলিত করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more